এক মঞ্চে আসছেন বি. চৌধুরী ও ড. কামাল হোসেন

দেশের দুইজন সিনিয়র সিটিজেন সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও ড. কামাল হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিতে আগামীকাল এক মঞ্চে আসছেন। জাতীয় সঙ্কট সমাধানে জাতীয় ঐক্য এই সেøাগান নিয়ে তারা সর্বস্তরের জনগণের কাছে তাদের আবেদন ছড়িয়ে তুলে ধরবেন এরপরই তারা তাদের ঐক্যের আহ্বানকে আরো ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে জাতীয় সংলাপের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে গণজমায়েত করবেন।

জানা গেছে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক সমাবেশের মধ্য দিয়ে দেশের এ দুইজন সিনিয়র সিটিজেন ঐক্যের ডাক দেবেন। যদিও তাদের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণপত্রে বলা হয়েছে মিয়ানমার সরকার কর্তৃক রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ওপর বর্বরোচিত হামলা, ধ্বংসযজ্ঞে নারী-শিশু নির্বিশেষে আক্রান্ত হয়ে ইতোমধ্যে প্রায় চার লাখ শরণার্থী বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণ করেছে।

এসব শরণার্থীর জীবন রক্ষার্থে বাংলাদেশসহ সব মহলকে এগিয়ে আসার আহ্বান এবং তাদের সসম্মানে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষকে ঐকবদ্ধ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। তবে মূল আহ্বান হিসেবে থাকছে জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি অহিংস বিকল্প রাজনৈতিক ধারা। এ ধারায় শরিক করতে আওয়ামী লীগ, বিএনপির পাশাপাশি সব রাজনৈতিক দল, বুদ্ধিজীবিসহ সর্বস্তরের জনগণের কাছে তাদের আহ্বান ছড়িয়ে দেয়া হবে। সূূত্র জানায়, কালকের ঐক্যের ডাকে সাড়া দেয়ার ওপরে নির্ভর করছে বিকল্প রাজনৈতিক ধারার পরবর্তী সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড।

এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বরে ঐক্যের ডাক দিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছিলেন এ দুইজন সিনিয়র সিটিজেন। তাতেও বলা হয়েছিল, ‘প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ’। জনগণ সে ক্ষমতা প্রয়োগ করবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে।

ঐ যৌথ ঘোষণায় তারা বলেন, ‘আগামী সংসদ নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তির অংশ গ্রহণ এবং অবাধ, সুুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন, নির্বাচনী আইন ও নির্বাচন ব্যবস্থার দাবিতে এবং দারিদ্রমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত এবং সন্ত্রাসমুক্ত একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি ছাত্র সমাজ, শিক্ষিত ও সুধীজন, আইনজ্ঞ, চিকিৎসক, শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার, ব্যবসায়ী, শ্রমিক, কৃষক, সাবেক সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাÑকর্মচারী ও অন্যান্য পেশাজীবী মানুষের সমন্বয়ে বৃহত্তম একটি রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ঘটাতে হবে।’

জানা গেছে, এমন প্লাটফরম তৈরিতেই দুইজন সিনিয়র সিটিজেন সহয়াক ভূমিকা রাখতে চান।

loading...