মালয়েশিয়ায় কাগজপত্রহীনদের বৈধ হওয়ার শেষ সুযোগ ই-ক্যাড : রাষ্ট্রদূত

মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী কাগজপত্রহীন বিদেশী শ্রমিকদের বৈধ হওয়ার শেষ সুযোগ এনফোর্সমেন্ট ক্যাড (ই-ক্যাড) বা টেম্পোরারি পাস বলে জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মহ. শহিদুল ইসলাম।
সব কিছুর আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে!!
অনুগ্রহ পুর্বক নিচের লাইক বাটনে ক্লিক করুন।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে পুত্রাজায়াস্থ মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের মহাপরিচালক দাতু শ্রী হাজী মুস্তাফা আলীর সাথে ই-ক্যাড বিষয়ে এক সভা শেষে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ অনুরোধে মালয়েশীয় সরকার এই সুযোগটি দেন দেশটিতে বসবাসকারী কাগজপত্রহীন শ্রমিকদের বৈধ হওয়ার জন্য।

তিনি জানান, বৈধ কাগজপত্র পেতে মাইইজির অধীনে চলমান রি-হায়ারিং প্রকল্পে এক লাখ ৮৮ হাজার বাংলাদেশী রেজিস্ট্রেশন করেছেন। আর অন্য সব দেশ মিলিয়ে করেছে মাত্র ১০ হাজার। এ ছাড়া নতুন প্রকল্প ই-ক্যাড এখন পর্যন্ত ৬১ জন বাংলাদেশী পেয়েছেন। অন্য দিকে সব দেশ মিলিয়ে পেয়েছে ৩৯টি।

‘যারা মেডিক্যাল আনফিট, যাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বা চলমান রয়েছে এবং যে সব কর্মী বৈধভাবে কোনো কর্মক্ষেত্রে কর্মরত ছিলেন; কিন্তু তারা মালিক পক্ষকে অবহিত না করে পালিয়ে গেছেন এবং অফিস তার বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশনে অভিযোগ দাখিল করেছে’ এই তিন শ্রেণীর শ্রমিকরা ই-ক্যাড করতে পারবে না।

আগে ৩ কিংবা ৪টি খাতে লোক আনার কথা থাকলেও এখন বাংলাদেশ থেকে সব সেক্টরের জন্য লোক আনা হবে বলেও জানান দেশটিতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত।

ই-ক্যাডের আওতায় আসতে বাংলাদেশীদের জোরালো আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা সবাইকে সচেতন করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় দূতাবাসের কন্সুলার টিম পাঠানো হচ্ছে। ই-ক্যাডধারীরা দ্রুত পাসপোর্ট করাতে পারবেন বলেও জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের বলেন, আগে স্বাভাবিকভাবে পাসপোর্ট এলেও এখন থেকে আমরা ডিএইচএলের মাধ্যমে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দ্রুত পাসপোর্ট নিয়ে আসবো এবং তা দ্রুত গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেবো।

হাইকমিশনের বাইরে দালালের উৎপাত কমাতে করণীয় সম্পর্কে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা মে-ব্যাংকের সাথে কথা বলছি হাইকমিশনের অভ্যন্তরে কিংবা আশপাশে একটি বুথ করার ব্যাপারে। আশাকরি আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এসব সমস্যার সমাধান হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন কাউন্সেলর (লেবার) সায়েদুল ইসলাম, দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) বেগম তাহমিনা ইয়াসমিন এবং দ্বিতীয় সচিব (লেবার) ফরিদ আহমেদ।

সব কিছুর আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে ।।

আরও জানতে VIDEO টি দেখুন.চানেলটি SUBSCRIBE করতে ভুলবেননা PLEASE::

loading...
loading...