সপরিবারে জাপানে মাইগ্রেট করুন/সম্পুর্ন নিয়ম দেখুন/নিজে নিজে আবেদন করুন কারও সাহাজ্জ লাগবে না!!

উচ্চশিক্ষা যেন সোনার হরিণ। বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা প্রায় সরকারি ৩২ টি এবং বেসরকারি ৯২ টি । প্রতি বছর এর মতো এই বছর ও বিশ্ববিদ্যালয় গুলো তে ভর্তির জন্য এক প্রকার যুদ্ব করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। একে তো আসন কম তার উপর ভর্তি বানিজ্য। সবকিছু মিলিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য অনেকেই ভিনদেশে পাড়ি জমাতে চান। পছন্দের তালিকায় ইংল্যান্ড, ক্যানাডা, আমেরিকা, মালয়শিয়া, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, সুইডেন, চীন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, জাপান সহ আরও অনেক দেশ রয়েছে। উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা এক্ষেত্রে Japan কে বেছে নিতে পারেন। এশিয়ার এই দেশটিতে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে পড়াশোনা ও কাজ করার অনেক সুযোগ।



পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে সারা বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৫ লক্ষ ছাত্রছাত্রী বিদেশে পড়াশুনা করছে। বৈদেশিক ছাত্রছাত্রীদের প্রায় ২০.৫ শতাংশই জাপানে অধ্যয়নরত জাপানে উচ্চ শিক্ষা গ্রহনের এই ব্যাপক চাহিদার কারণ হচ্ছে জাপানে ছাত্রছাত্রীরা যুগোপযোগী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং জ্ঞান অর্জন করতে পারে যা ২য় বিশ্বযুদ্ধোত্তর জাপানের বিস্ময়কর অর্থনৈতিক উন্নতির মুল হাতিয়ার হিসাবে কাজ করেছে। ইলেকট্রনিক্স থেকে শুরু করে মেডিসিন, সাহিত্য থেকে শুরু করে ব্যবসা প্রশাসন যেকোন বিষয়েই জাপানী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশুনার বিস্তৃত সুযোগ রয়েছে। তাই অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশ থেকেও প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছাত্রছাত্রী জাপানে পড়াশুনা করতে যাচ্ছে।


কেন জাপান কে নির্বাচন করবেনঃ

আপনি যদি এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তবে জাপানী ভাষা কোর্সে ১ থেকে ২ বৎসর পর্যন্ত পড়া যায়। এর পরে বিশ্ববিদ্যালয়/কলেজে ব্যাচেলর্স ডিগ্রিতে এবং ব্যাচেলর্স ডিগ্রিতে উত্তীর্ণ হলে মাস্টার্সে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারেন এবং স্কলারশিপ সহ পড়াশোনার সুযোগ পাবেন।আবার জাপানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান উচ্চ শিক্ষার জন্য প্রচুর বৃত্তি দিয়ে থাকে। গ্রাজুয়েট পর্যায়ে পড়ালেখার জন্য সরকারী বেসরকারী সব বিশ্ববিদ্যালয়েই আর্থিক সহায়তা পাওয়ার ব্যাবস্থা করা যায়। এশিয়ান ইয়ুথ ফেলোশিপ, হিউম্যান রিসোর্সেস স্কলারশিপ ছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ও স্কলারশিপ ফাউন্ডেশন বিদেশী ছাত্রদের বৃত্তি দিয়ে থাকে। জাপান সরকার ও সে দেশের বিভিন্ন সংস্থা বাংলাদেশি মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রতি বছরই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জন্য বৃত্তি দিয়ে থাকে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও ঢাকার জাপান দূতাবাসের মাধ্যমে বৃত্তির আবেদন করতে পারবে।জাপান সরকারের ওয়েবসাইট থেকে আপনি বৃত্তির তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। তাছাড়া এসোসিয়েটেড ডিগ্রি, ব্যাচেলর্স ডিগ্রি, মাস্টার্স ডিগ্রি ও ডক্টরেট প্রোগ্রামে পড়াশোনা ও গবেষণার জন্য আপনি জাপানে যেতে পারেন। পড়াশোনার শেষে বৈধভাবে কাজ করার ও স্থায়ী ভাবে পরিবার সহ বসবাসের সুযোগ।একটি সমৃদ্ধ দেশের অত্যন্ত ভদ্র অধিবাসীদের সঙ্গে বসবাসের সুযোগ পাবেন। যা আপনাকে নিয়ে যাবে সাফল্যের উচ্চশিখরে।


জাপানে শিক্ষা ব্যবস্থা :

জাপানে পাঁচ ধরনের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নের সুযোগ রয়েছে। এগুলো হচ্ছে-



• গ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয়
• আন্ডার গ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয়
• কলেজ অব টেকনোলজি
• জাপানীজ ষ্টাডিজ
• প্রফেশনাল ট্রেইনিং স্কুল



কোর্সের মেয়াদ:

• আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে বেশীরভাগ কোর্সের মেয়াদ ৪ বৎসর। তবে মেডিসিন, ডেন্টিস্ট্রি ও ভেটেরেনারী সায়েন্সের ক্ষেত্রে এর মেয়াদ ৬ বৎসর।
• পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্সের মেয়াদ ২ বৎসর।
• ডক্টরেট ডিগ্রীর কোর্সের মেয়াদ ৩ বৎসর। তবে মেডিসিন, ডেন্টিস্ট্রি ও ভেটেরেনারী সায়েন্সের ক্ষেত্রে এর মেয়াদ ৪ বৎসর হয়ে থাকে।

শিক্ষাবর্ষ:

• জাপানী উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষাবর্ষ শুরু হয় এপ্রিল মাস থেকে যা পরবর্তী মার্চে শেষ হয়। সাধারনত ১টি শিক্ষাবর্ষ ২টি সেমিস্টারে বিভক্ত থাকে- এপ্রিল-সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবর থেকে মার্চ।

শিক্ষাগত ন্যূনতম যোগ্যতা:

• আন্ডার গ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে ভর্তির জন্য একজন শিক্ষার্থীকে ন্যূনতম ১২ বৎসর স্কুলিং অর্থাৎ উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট থাকতে হবে।
• মাষ্টার্সে ভর্তির জন্য অন্তত ১৬ বৎসরের স্কুলিং থাকতে হবে।
• বেশীরভাগ জাপানী উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাপানী ভাষায় পাঠদান করা হয়। কাজেই জাপানে উচ্চ শিক্ষার জন্য যেতে চাইলে অবশ্যই একজন শিক্ষার্থীকে জাপানী ভাষায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে। আপনি চাইলে ইংলিশ এ পড়তে পারবেন তবে সেক্ষেত্রে IETLS থাকতে হবে ।

loading…



যেসব বিষয়ে পড়ানো হয়:

জাপানী বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অসংখ্য বিষয়ে পাঠদান করা হয়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো হচ্ছে:
• মেডিসিন
• ডেন্টিস্ট্রি
• ভেটেরেনারী সায়েন্স
• বায়োকেমিষ্ট্রি
• অ্যাপ্লায়েড ফিজিক্স
• বায়োফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্স
• ম্যাথমেটিক্স
• ফিজিক্স
• কেমিষ্ট্রি
• এনভায়রোনমেন্টাল সায়েন্স
• মলিকিউলার সায়েন্স
• বিজনেস অ্যাডমিনিষ্ট্রেশন
• মার্কেটিং
• ইকোনোমিক্স
• ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন
• ল
• সোশিওলজি
• ম্যানেজমেন্ট
• ফিন্যান্স
• এম বি এ



পড়াশোনার মাধ্যম:

loading...

জাপানের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানি ভাষায় শিক্ষাদান করা হয়। কিছু প্রতিষ্ঠানে ইংরেজি ভাষাতেও শিক্ষাদান করে। জাপানি ভাষায় দক্ষতা ভিসা ও খন্ডকালীন কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক । তাই আবেদনের আগে জাপানি ভাষা শিখে নেয়াটাই হবে সঠিক সিদ্ধান্ত।

ভর্তি প্রক্রিয়া:

জাপানে পড়াশোনা করাতে যাবার সবচেয়ে সহজ পদ্বতি হল জাপানের কোন লেংগুয়েজ ইনিস্টিটিউট থেকে এলিজিবিলিটি সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা। এলিজিবিলিটি সার্টিফিকেট পেলে সেই ইনিস্টিটিউটে ভর্তি হয়ে ভিসার জন্য এ্যাপ্লাই করুন। ভিসা নিয়ে জাপান চলে যান। লেংগুয়েজ কোর্স করে নিন। তারপর জাপানীস ভাষার দক্ষতার প্রমান দিয়ে আপনার কাংখিত সাবজেক্টে ও ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি জন্য apply করুন।



জাপানের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো:

জাপান বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক শক্তি। তাই সারা জাপান জুড়ে তারা অসংখ্য প্রথম শ্রেণীর বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করেছে। এখানে জাপানের শীর্ষস্থানীয় ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা দেয়া হলো:

• ইউনিভার্সিটি অব টোকিও
• কিয়োটো ইউনিভার্সিটি
• ওসাকা ইউনিভার্সিটি
• টোকিও ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি
• তোহুকু ইউনিভার্সিটি
• কেইও ইউনিভার্সিটি
• কিয়ুশু ইউনিভার্সিটি
• নাগোয়া ইউনিভার্সিটি
• হোক্কাইডো ইউনিভার্সিটি
• সুকুবা ইউনিভার্সিটি
• কোবে ইউনিভার্সিটি
• চিবা ইউনিভার্সিটি
• ওয়াসেদা ইউনিভার্সিটি
• হিরোশিমা ইউনিভার্সিটি
• কানাজাওয়া ইউনিভার্সিটি
• ওকায়ামা ইউনিভার্সিটি
• টোকিও ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স
• টোকিও মেট্রোপলিটান ইউনিভার্সিটি
• টোকিও মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল ইউনিভার্সিটি
• ওসাকা সিটি ইউনিভার্সিটি
• নিগাতা ইউনিভার্সিটি
• কুমামোতো ইউনিভার্সিটি
• তোকুশিমা ইউনিভার্সিটি
• ওসাকা প্রিফেকচুয়াল ইউনিভার্সিটি
• গিফু ইউনিভার্সিটি
• টোকিও ইউনিভার্সিটি অব এগ্রিকালচার এন্ড টেকনোলজি
• ইয়োকো হামা ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
• নাগোয়া সিটি ইউনিভার্সিটি
• কাগোশিমা ইউনিভার্সিটি


ভিসার জন্য আবেদন প্রক্রিয়া:

ভিসার প্রকৃয়া খুব জটিল কিছু নয়। তবে কলেজ/ ইউনিভার্সিটি/এডুকেশন ইনিস্টিটিউট খেকে এলিজিবিলিটি সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হবে/ ভর্তি হতে হবে। ভিসার জন্য অথবা জাপানে পড়াশোনা করতে হলে টোফেল/IELTS না হলেও চলে, কিন্তু জাপানি ভাষা জানা থাকা বাধ্যতামূলক। ভিসার আবেদনের ক্ষেত্রে ভর্তির কাগজপত্র, নাগরিকত্ব সনদ, পাসপোর্টের কপি, সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণপত্র, সদ্য তোলা ছবি প্রভৃতি জমা দিতে হবে।

ভিসার জন্য আরো যেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ, তা হল অবশ্যই স্পন্সর লাগবে। সুবিধা হল যে কেউ স্পন্সর হতে পারে (মানে, ব্লাড রিলেশন না থাকলেও হবে)। ব্যাংকে স্পন্সরের কমপক্ষে ১৫/20 লাখ টাকা ক্যাশ দেখাতে হয় ।এক বছরের ব্যাংক সার্টিফিকেট লাগে।


প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

• পাসপোর্ট (ন্যূনতম ৬ মাস মেয়াদ আছে এমন)
• দুই কপি ছবি, সাইজ ৩.৫×৪.৫ (ছবি বিগত ৬ মাসের ভেতর তোলা এরকম হতে হবে)
• ভিসার আবেদনপত্র (যথাযথভাবে পূরণকৃত)
• শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল সনদ (এসএসসি থেকে সর্বশেষ ডিগ্রী পর্যন্ত; সকল পরীক্ষার্থীর প্রবেশ পত্র ও প্রশংসা পত্র, বাংলা অথবা ইংরেজী)
• জাপানের যে প্রতিষ্ঠানে পড়তে যাবেন তার Letter of Acceptance.
• জাপানের বিচার মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যুকৃত Certificate of Eligibility.
• জাপানে অধ্যয়ন করতে যাওয়ার কারন সমূহ বর্ণনা করে একটি কভার লেটার

কেমন খরচ পড়বে;

জাপানের কলেজ/ ইউনিভার্সিটি/এডুকেশন ইনিস্টিটিউট গুলোতে জাপানিজ ভাষা/আন্ডারগ্র্যাজুয়েট কোর্সের জন্য প্রতিষ্ঠান ভেদে কোর্স ফি কম-বেশি হয়ে থাকে। এছাড়া যাতায়াত, শিক্ষা উপকরণসহ অন্যান্য খরচ তো রয়েছেই। এ পদ্বতিতে শুরুতে ৭/৮লাখ টাকা লাগতে পারে। এটার মধ্যেই এলিজিবিলিটি সার্টিফিকেট সংগ্রহের প্রকৃয়া, লেংগুয়েজ ইনিস্টিটিউটে ভর্তি ফি, লেংগুয়েজ ইনিস্টিটিউটে ১ বছরের কোর্স ফি, প্লেন ভাড়া, সব হয়ে যাবে। কিছু কম হতে পারে কিন্তু বেশি হওয়ার কথা নয়। তাই প্রথম ১ বছর থাকা, খাওয়া, যতায়াত, আর বীমা খরচ (কিছু ক্ষেত্রে) ছাড়া আর তেমন কিছু মেজর খরচ নাই। থাকা খাওয়া, যাতায়াত বাবদ খরচ মাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকা লগবে। (খরচ অনেকটাই নিজের উপর নির্ভর করে)। বিদেশী ছাত্রদের স্বাস্থ্য বীমা থাকা বাধ্যতামূলক (প্রায় ১৫ হাজার টাকা বাৎসরিক খরচ)।

বাসস্থান সুবিধা ও খরচ : জাপানে বিদেশী ছাত্রছাত্রীরা ৪ ধরনের বাসস্থানে বসবাস করতে পারে।


এগুলো হচ্ছে-

• স্টুডেন্ট ডরমিটরী
• স্থানীয় সরকারী সংস্থা কর্তৃক বরাদ্দকৃত পাবলিক হাউজিং
• জাপানীজ বিভিন্ন সংস্থার স্টাফ ডরমিটরী
• ব্যক্তিগত ভাড়া বাসা

এলাকাভেদে বাসস্থানের খরচে পার্থক্য হতে পারে ।



পার্টটাইম কাজের সুযোগঃ

জাপানে অবস্থানরত বিদেশি শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে ২৮ ঘণ্টা পর্যন্ত খণ্ডকালীন কাজ করার সুযোগ পায়। তবে এজন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়। ফাস্ট ফুড ক্যাটারিং, স্টোর, কম্পিউটার, অনুবাদ প্রভৃতি ক্ষেত্রে অনেক কাজের সুযোগ রয়েছে দেশটিতে।মাসে ১লাখ থেকে ১লাখ ৫০ হাজার টাকা আয় করা যায় (কেউ কেউ বেশিও করে)
উপরোক্ত প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো জানা থাকলে একজন আগ্রহী শিক্ষার্থী সহজেই উচ্চশিক্ষার জন্য Japan চেষ্টা করতে পারে।

শুধুমাত্র ১৬০ ঘণ্টার Japanese Language Course শিখে আপনিও নিতে পারেন জাপান এ উচ্চ শিক্ষা, পড়াশুনা শেষে নিশ্চিত চাকরী, পাঁচ বছর থাকার পর নাগরিকত্ব নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ। IELTS এর প্রয়োজন নাই।
=================================
জাপানে আবেদন করার জন্য নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা:
এইচএসসি/ডিপ্লোমা বা সমমান, নূন্যতম GPA- 2.5,
অনার্স , মাস্টার্স পাশ অথবা অনার্স / মাস্টার্স এ প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়্নরত ছাত্র-ছাত্রীরাও আবেদন করিতে পারিবেন।

আবেদন করার জন্য IELTS এর প্রয়োজন নাই।
Study GAP maximum 5 Years Acceptable.
জাপানিজ ভাষার দক্ষতার নাট টেস্ট/জেএলপিটি এন-ফাইভ অথবা ১৬০ ঘন্টার জাপানিজ ল্যাংগুয়েজ কোর্স করতে হবে।
=================================

জাপানে কোন কোন বিষয়ে পড়াশোনা করতে পারবেন?
জাপানের প্রায় ৭৫০ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিয়ারিং, ব্যবসায়, কলা, ডিপ্লোমা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে ডিপ্লোমা, স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।
=================================



জাপানে আবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রঃ
1) স্টুডেন্ট এর অরজিনাল সার্টিফিকেট, মার্কসীট এবং ট্রান্সক্রিপ্ট।
2) ৬ কপি ছবি, জন্ম নিবন্ধন এবং পাসপোর্ট এর ফটোকপি।
3) Relationship সার্টিফিকেট With Sponsor।
Sponsor Document:
1) আপনার আত্মীয় এর মধ্যে হলে যে কেউ Sponsor হতে পারবে।
2) 1 year ব্যাংক Statement, নুন্নতম ১৮ / ২০ লাখ টাকা থাকতে হবে।
3) আয়ের উৎস: (Employment Certificate Or Business License এর Copy)
4) জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন এর ফটোকপি।
5) Sponsor যদি ট্যাক্স পে করে তাহলে TIN সার্টিফিকেট এর কপি দিতে হবে।( না থাকলে কারন সহ আবেদন পত্র দিলেও চলবে )
=================================

জাপানে কিভাবে যাবেন?

শুরুতে জাপানিজ ল্যাংগুয়েজ ইনস্টিটিউটগুলোতে ইন্টারভিউ দিতে হবে। ইন্টারভিউতে পাশ করলে প্রয়োজনীর কাগজ-পত্র জাপান ইমিগ্রেশনে জমা দিতে হবে। ইমিগ্রেশন থেকে ইলিজিবিলিটি লেটার ইস্যু করার পর ১ বছরের টিউশন ফি জমা দিতে হবে। এরপর বাংলাদেশের জাপান এমব্যাসিতে প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র জমা দিয়ে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। এমব্যাসি সবকিছু দেখে ভিসা ইস্যু করবে।
=================================



জাপানে কেন যাবেন?

১. পড়াশুনার মান অনেক ভালো (World Class Education)
২. IELTS লাগে না
৩. জাপানের অর্থনীতি পৃথিবীর মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম
৪. পার্ট টাইম জব পাওয়া খুব সহজ
৫. প্রতি ঘন্টা খন্ডকালীন চাকরী করলে প্রায় 900 Yen থেকে 1,100 Yen আয় করা যায়
৬. সপ্তাহে legally ২৮ ঘন্টা ১ মাসে ১২০ ঘন্টা পার্ট টাইম জব করা যায়
৭. Holiday এর সময় Full Time কাজ করার সুবিধা
৮. পড়াশুনা শেষে ফুলটাইম জব
৯. পাঁচ বছর থাকার পর নাগরিকত্বের নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ
১০. Visa Procedure এবং Admission Procedure অনেক সহজ। ভিসা পাওয়া সহজ
১১. খরচ তুলনামূলক কম
১২. জাপানে যাওয়ার পর দেশ থেকে আর টাকা নিতে হয় না
১৩. শুধুমাত্র জাপানী Japanese Language JLPT N5 course শেষ করে আপনি ও গ্রহণ করতে পারেন উচ্চ শিক্ষাসহ চাকরি ও স্থায়ী বসবাসের সুযোগ।
=================================


জাপানে যেতে কত টাকা খরচ হবে?

১. জাপানে কলেজে/বিশ্ববিদ্যালয় এর Application Fee
২. এডুকেশোনাল ডকুমেন্ট এবং অন্যান্য ডকুমেন্টস জাপানীজ ভাষায় অনুবাদ করতে হবে ।
৩. Ministry of justice of Japan এর জন্য সমস্ত ডকুমেন্টস জাপানে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে প্রেরণ করতে হবে।
৪. এক বছরের টিউশণ ফি Pre-VISA পাওয়ার পর। ১ বছরের টিউশন ফি (প্রায় ৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা) ট্রান্সফার হবে Student – এর নিজের Account থেকে Institute /College এর Account এ (বাংলাদেশ ব্যাংকের শর্তাবলী অনুসরণ করে)
৫. বাংলাদেশে ৩ মাস Japanese Language JLPT N5 course
৬. Student দের জাপানে Airport পিকআপ
৭. Student দের জাপানে বাসস্থান এর ব্যবস্থা
৮. Student দের জাপানে Part Time Job এর-ব্যবস্থা
৯. জাপানে Student দের Bank Account, Health Insurance
আরও জানতে VIDEO টি দেখুন.চানেলটি SUBSCRIBE করতে ভুলবেননা PLEASE::

loading...