জানেন, মুখের এই হাসিটিই আপনার কত ক্ষতি করতে পারে?

ডিজিটাল ডেস্ক: নিতান্ত রামগরুড়ের ছানা না হলে হাসতে আপনার কোনও বারণ নেই৷ যখন-তখন, যেখানে-সেখানে মন দিয়ে প্রাণ খুলে হাসুন না! কেউ বারণ করবে না৷ বরং অভিজ্ঞরা সুস্থ থাকতে হাসির পরামর্শই দিয়ে থাকেন৷ শরীর-স্বাস্থ্য বজায় রাখতে অনেকে তো আবার সাতসকালে নিয়ম করে হাসেন৷ কিন্তু সবকিছুরই তো একটা ভাল-মন্দ বলে কথা রয়েছে! তা সে হাসিই হোক না কেন৷ জানেন, প্রাণ খোলা এই হাসির জন্যই আপনাকে বয়সের তুলনায় বেশি বড় লাগতে পারে৷

সাইকোনমিক বুলেটিন নামের গবেষণা পত্রে অন্তত এমনটাই দাবি করেছেন কয়েকজন গবেষক৷ যাঁরা বলেছেন, হাসির চোটেই মানুষের বয়স দেখার ভিত্তিতে অনেকটাই বেড়ে যায়৷ একটি মানুষ যখন হাসতে শুরু করেন তখন তাঁর মুখের পেশি প্রভাবিত হয়৷ এর ফলে চোখের নিচের অংশ কিংবা ঠোঁটের দুই পাশের অংশে ভাঁজ পড়ে৷ সে কারণেই মানুষের মুখের আদল বয়সের তুলনায় অনেকটাই বেশি মনে হয়৷

এর কোনও সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে কি? মুখের পেশিতে কোনও অন্য প্রভাব ফেলছে কি? এই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য এখনও মেলেনি৷ তবে গবেষকদের ধারনা, মানুষের মধ্যে যখন আবেগের সৃষ্টি হয় তখন তা মুখমণ্ডলে ধরা পড়ে৷ আর তাই মানুষের বয়সের বহিরাগত ছাপকেও নিয়ন্ত্রণ করে৷ যদিও এই কোনও অনুমানই এখনও প্রমাণিত নয়৷ তাই মন খুলে এখনও আপনি হাসতেই পারেন৷

loading...