স্বল্প মেয়াদে আড়াই লাখ টাকা ঋণ পাবে কৃষক

চলতি অর্থবছরে ১৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকার কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের বার্ষিক নীতিমালা ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।

গভর্নর জানান, শস্য ও ফসল চাষের জন্য স্বল্প মেয়াদী ঋণের ক্ষেত্রে একজন কৃষক সর্বোচ্চ আড়াই লাখ টাকা ঋণ নিতে পারবেন। এ ঋণ নিতে সিআইবি প্রতিবেদন প্রয়োজন হবে না। ব্যাংক চাইলে এজেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমেও কৃষি ঋণ বিতরণ করতে পারবে বলে জানান গভর্নর। এক্ষেত্রে গ্রাহকের কাছ থেকে নির্ধারিত সুদের বাইরে অতিরিক্ত সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত সার্ভিস চার্জ নিতে পারবে ব্যাংক। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোর জন্য লক্ষ্যমাত্রার ন্যূনতম ৩০ শতাংশ কৃষি ঋণ বিতরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

রবিবার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে আয়োজিত চলতি অর্থবছরের কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ঘোষণাকালে গভর্নর এ তথ্য জানান। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন৷

গভর্নর বলেন, এজেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমেও কৃষি ঋণ বিতরণ করতে পারবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। এক্ষেত্রে গ্রাহকের কাছ থেকে নির্ধারিত সুদের অতিরিক্ত সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ সার্ভিস ফি নেয়া যাবে।

ফজলে কবির জানান, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জন্য ঘোষিত কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালায়, প্রত্যেক ব্যাংককে তাদের লক্ষ্যমাত্রার ন্যূনতম ৩০ শতাংশ কৃষি ঋণ বিতরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া আম লিচুর পাশাপাশি পেয়ারা উৎপাদনেও সারা বছর ঋণ বিতরণ করা যাবে।

loading...