১০০০০-১৫০০০টাকার মধ্যে স্টক ব্যবসা ধারণা!!

উদ্দেশ্যঃ
১)বাসায় বসে যেসব ব্যবসা করা যায় সেসব করা।
২)অল্প পুজীর সাথে মেধার সমন্বয় ঘটিয়ে ক্রিয়েটিভ ব্যবসা করা
৩)অবসর সময় কে কাজে লাগানো
৪)আস্তে আস্তে নিজের ব্র্যান্ড তৈরি
৫) ক্ষুদ্র পুজী কে আস্তে আস্তে বড় ব্যবসায় কাজে লাগানোর উপযোগি করা
৬)টীম অয়ার্ক এর মাধ্যমে নিজের তথা আর্থসামাজিক উন্নয়ন
৭)উদ্যোমী মানুসদের নিয়ে সোসাল নেটয়ার্ক তৈরি



পরিকল্পনাঃ
১)সমগ্র ঢাকা কে কয়েকটা টিম এ ভাগ করে ব্যবসা বন্টন
২)সেন্ট্রাল পয়েন্ট থেকে পন্য সরবরাহ
৩)একটি ই কমার্স ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজ এর মাধ্যমে পন্যের প্রচার প্রসার
৪)নতুন নতুন আইডিয়া কে ব্যবসায়িক লাভের ভিত্তিতে সামগ্রিক ভাবে কাজে লাগানো
৫)সমাজের উন্নয়ন,দেশ ও মানব সেবা মুলক কাজে অংশগ্রহন
৬)প্রত্যেক কে তার নিজের ব্যবসা দাড়া করানোর জন্য পারস্পারিক সাহায্য


যা যা লাগবেঃ
১) প্রচন্ড ইচ্ছা শক্তি
২)নতুন কিছু করার ইচ্ছে
৩)বাধা উপেক্ষা করার মন মানসিকতা
৪)১০০০০ টাকা মাত্র (আপনার টাকা বা পন্য আপনার কাছেই থাকবে )
৫)কথা কাজে মিল ও সময়ের কাজ সময়ে করা



কি কি করা যেতে পারে
১) টি সার্ট,জিন্স,শার্ট বিক্রি (বাসায় বসে,সেল বাজারে যদি ৫-৫০০০০টাকার জিনিস বাসায় বিক্রি হতে পারে তাহলে বাসায় বসে কাপড়ের ব্যবসা করা যাবে না কেন? )
সব কিছুর আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে!!
অনুগ্রহ পুর্বক নিচের লাইক বাটনে ক্লিক করুন।

২) একসময় ডিভিডি র বিজনেস খুব ভাল চলত,এখন ঘরে ঘরে কম্পিউটার থাকায় ডিভিডি সেল কম হয়,তবে আমরা যদি পোর্টেবল হার্ড ড্রাইভে মুভি,নাটক,ডকমেন্টারি ইত্যাদি রেখে সেল করি ,পার পিস হয়ত খুব কম টাকা কিন্তু ৫০-১০০ করে সেল করলে বার বার বিনা ইনভেস্ট এ ভাল টাকা আয় করা যাবে।তছাড়া পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে মুভ্যি কালেকশন করা খুব একটা কঠিন কাজ না।
৩)বেশি সেল হলে নিজেরাই টি শার্ট প্রোডাকশন এ যেতে পারি।
৪)টিম বড় হয়ে গেলে বিভিন্ন ই কমার্স সাইট এর পন্য সেল করতে পারি,সরবরাহ করতে পারি।
৫)বিভিন্ন প্রফেশনালদের জন্য কাজ এনে দেয়া।যেমন কেউ ওয়েবসাইট বানাবে,আমাদের টিম এর কেউ করে দিল,তাতে আমাদের টিম মেম্বার কাজ পেল,যে কাজ দিল সেও কাজ বুঝে নিল।
৬)ল্যাপ্টপ,মোবাইল,ইলেক্ট্রনিক্স প্রোডাক্ট ইম্পোর্ট বা হোলসেলার থেকে কিনে সেল করতে পারি,অবশ্যই বাজার থেকে কম দামে
৭)ইনফরমেশন সেল করে যেসব বিজনেস করা যায় সেসব করতে পারি (কমিশন ভিত্তিক)
৮) অ্যাকরিয়ামে মাছ চাষ



যে ভাবে করা হবে
১) একজন পন্য এক এক ধরনের পন্য বিশাল পরিমানে কিনবে,সে সামান্য লাভে অন্যদের কাছে সেল করবে(৫০০০০টাকার পোষাক কেনা হল,১০টা টিম ৫০০০টাকা করে পন্য কিনে নিবে,লস হলে সে দায়ভার নিবে)
২) সবার কাছেই একইরকম পন্য থাকবে (টি শার্ট বা পোশাক হলে) অয়েবসাইট বা ফেসবুক শপ এ পন্যের দাম ও যোগাযোগ ঠিকানা দেয়া থাকবে,এরিয়া ভিত্তিক ভাবে ক্রেতা সেই এরিয়ার টিম থেকে সংগ্রহ করবে।
২)পন্য খারাপ হলে সরবরাহকারী সেটার দায়ভার নিবে
৩)অবিক্রিত পন্য কেউ চাইলে ফেরত দিতে পারবে তবে একটা পারসেন্ট মাইনাস হবে
৪)কমিশন ভিত্তিক কাজ গুলো তে সরাসরি যে কাজ আনবে সে পাবে
৫)সর্বোপরি বিশাল একটা নেটওয়ার্ক তৈরী করা এবং সেটা কে কাজে লাগিয়ে আয় করা।



লাভ ক্ষতি
১)ইনভেস্ট খুব কম তাই লসের পরিমান খুব ই কম হবে,তাছাড়া একজন যেহেতু সেন্টাল্ভাবে বেশি টাকা ইনভেস্ট করে পন্য সরবরাহ করবে এবং অবিক্রিত পন্য ফেরত নিবে তাই টিমের লস নেই বললেই চলে
২)মেধা ভিত্তিক কাজ গুলো তে আর্থিক ভাবে ক্ষতি হবে না বলে আশা করি
৩)১০০০০ টাকার ৫০ টি শার্ট কিনে যদি ৫০টাকা করে লাভে সেল করা হয় তাহলে মাসে ২৫০০টাকা লাভ।মুভি যদি সেল করা যায় তাহলে ২০০০-৩০০০ টাকা বাড়তি আয় করা যাবে।আস্তে আস্তে আরো নতুন কিছু করে আয়ের পরিমান বাড়ানো যাবে ।
৪)নিজেরা যদি টি শার্ট প্রোডাকশন এ যাই তাহলে খরচ কমে লাভের পরিমান বেড়ে যাবে,যেহেতু কম কোয়ান্টিটি প্রোডাকশন করা যায় না তাই টিম বড় হলে সহজেই সেটা করা যাবে



প্রচার ও প্রসার
১)যেহেতু আমাদের ইনভেস্ট কম তাই মুখে মুখে আর ফেসবুক ই আমাদের ভরসা
২)একটা পেজ এ সবাই অ্যাডমিন হিসেবে থাকা এবং সবাই মিলে একসাথে প্রচার
৩)দেয়াল লিখন ও পোস্টারিং
৪)ভার্সিটি গুলোতে প্রদর্শন (টি শার্ট বা পোশাক )
৫)অনলাইনে বিজ্ঞাপন (পরিচিত ভাই ব্রাদারের অয়েব সাইটে ফ্রি তে অ্যাড দেয়া )
৬)ফেসবুক পেজ এ সপ করা এবং সেখানে বিভিন্ন লোকেশনে থাকা টিম এর নাম্বার দেয়া

loading…



ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
১)টি শার্ট এর প্রোডাকশন হাউজ দেয়া
২) প্রত্যেক টিম এর একটি শো রুম নেয়া
৩)প্রফেসনাল টিম তৈরী
৪) আইটি উদ্দ্যোক্তা তৈরী করা
৫)শেয়ার অফিস নেয়া
আরো আরো আইডিয়া আসবে ………………………….
আরও জানতে VIDEO টি দেখুন.চানেলটি SUBSCRIBE করতে ভুলবেননা PLEASE::

loading...