পানি বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত, বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

দেশে নদ-নদীর পানি বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।

মেঘনা ও তিস্তা অববাহিকার প্রধান নদ-নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় এ অববাহিকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এ অবনতিশীল পরিস্থিতি আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অপরিবর্তিত থাকবে।

এদিকে ব্রহ্মপুত্র-যমুনার বাংলাদেশ অংশে আগামী ৭২ ঘণ্টায় ৭০ সে.মি পর্যন্ত পানি বাড়তে পারে। গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধির প্রবণতাও আগামী ৭২ ঘণ্টা অব্যাহত থাকবে তবে তা বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হবে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবি) বন্যা পূর্বভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।

অপর বিজ্ঞপ্তি বলা হয়, দেশের নদ-নদী সমূহের ৯০টি পয়েন্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী ৭৭টি পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ১২টিতে হ্রাস পেয়েছে। এর মধ্যে ২৫টি পয়েন্টের পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এ সময় সাতটি পয়েন্টে ১০০ মি.লি. এবং ২০টি পয়েন্টে ৫০ মিলিলিটারের ওপরে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, পদ্মা ও গঙ্গা এবং সুরমা-কুশিয়ারা নদীসমুহের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র-যমুনা এবং গঙ্গা ও পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি আগামী ৭২ ঘণ্টায় অব্যাহত থাকতে পারে।

আগামী ২৪ ঘণ্টায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে।

শনিবার সকাল ৯টা থেকে আজ রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় কুড়িগ্রাম ধরলা নদীর পানি ১১২ সেন্টিমিটার, কানাইঘাটে সুরমা নদীর পানি ১০৬ সেন্টিমিটার এবং জারিয়াজঞ্জাইলে কংস নদীর পানি ১৭৬ সেন্টিমিটার বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

loading...